পর্ব-৪ : নঈম-চলে আসছি।
নীলা-তুই তো জানিস, আমি কিভাবে বড় হয়েছি।বাবা ছাড়া বিশটা বছর আমি।মা যে এতো কষ্ট করলেন, মায়ের জন্য কিছুই করতে পারলাম না।যতবার চোখ বন্ধ করে ভাবি, মনে হয় মা পাশে বসে আছেন।কিন্তু চোখ খুললেই বাস্তবতা কষ্ট দেয়।সত্যি কথা বলতে কি, মাকে ইদানীং খুব খুব মনে পড়ে।জীবনের পথে যতই এগিয়ে যাই না কেনো, মায়ের শূন্যতা আমাকে পীড়া দেয়।আসলে জীবনের কথা ভাবলে নিজেকে ফাপুর ফাপুর লাগে।সময় কত দ্রুত চলে যায়।মায়ের সেই রাগ করে কথা বলার মুহূর্তগুলোর কথা এখনো কানে বাজে।
নঈম-রিলাক্স, বিষয়গুলো ইজিভাবে নে।এতো নস্টালজিয়ার কী আছে!
নীলা-বিশ্বাস কর নঈম, আমার পরিচিতজনেরা মানে কাছের মানুষ যারা তারা বলেছে, ‘আমি বিয়ে করছি না কেন? আমার কি কোনো সমস্যা আছে?’ মেজাজটা এতো খারাপ তরে বলে বুঝাতে পারব না।
নঈম-শোন, রান্না ঘরে যা, চিনি ছাড়া এক কাপ রঙ চা বানিয়ে খা। দেখ, নিজেকে হালকা লাগবে।যা দ্রুত..।
নীলা-চা খেতে ইচ্ছে করছে না।
নঈম-আরে ধুর! যা, আমি বলছি প্লিজ..।
নীলা-উহ!!
দশ মিনিট পর
নঈম-চা খাচ্ছস?
নীলা-হ্যাঁ।
নঈম-সেদিন তোর কবিতা আবৃত্তি শুনে আজ ফেসবুকে একটা কবিতা পড়লাম।কাজী লাবণ্যর লেখা ‘পরিযায়ী পাখি’ শিরোনামে কবিতার শেষ লাইনটা অনবদ্য।শেষ লাইনটা এরকম-“ভালোবাসা দূরে গেলে, এ্যাড্রেনালিন হরমোনের নিঃসরণ ছাড়া, কোনো কিছুই থেমে থাকে না।”
নীলা-আসলেই দুর্দান্ত।পুরো কবিতার লিংকটা ম্যাসেঞ্জারে দিয়ে রাখিস।
চলবে..